ক ১. পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের পেনশন ও গ্র্যাচুইটি কোন নিয়মে চলে?
এই বিষয়গুলি WBS (DCRB) Rules, 1971 অনুযায়ী পরিচালিত হয়।
ক ২. পেনশন অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ (PSA) কারা?
সরকারি কর্মচারীর অফিসের প্রধানই পেনশন অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ (PSA), যিনি সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর যাবতীয় পেনশন সংক্রান্ত সুবিধা গুলি অনুমোদন করেন ।তবে, যদি সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্মচারী নিজেই অফিস প্রধান হন, তাহলে তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ PSA হবেন।
ক ৩. পেনশন প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ কারা?
রাজ্য সরকারি পেনশনভোগীদের পেনশন ভারতের যেকোনো ট্রেজারি থেকে, অথবা কলকাতা পৌরসভা এলাকার যেকোনো অনুমোদিত ব্যাংক থেকে দেওয়া হয়।
ক ৪. PSA কোড কী?
PSA কোড হল পেনশন অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষকে AG অফিসের দেওয়া একটি নির্দিষ্ট নম্বর, যা একাউন্টেন্ট জেনারেল অফিসে পেনশন কেস পাঠানোর সময় সিঙ্গেল কম্প্রিহেনসিভ ফর্ম (SCF)এ উল্লেখ করতে হয়।
ক ৫. সংশ্লিষ্ট কর্মচারী তাঁর পেনশন কেসএর অবস্থা কিভাবে মোবাইল এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানতে পারবেন?
মোবাইলে SMS-এর মাধ্যমে আপডেট
পেনশনের আপডেট SMS-এর মাধ্যমে পেতে হলে, সংশ্লিষ্ট কর্মচারী কে নিশ্চিত করতে হবে যে সিঙ্গেল কম্প্রিহেনসিভ ফর্ম (Single Comprehensive Form)-এ তাঁর মোবাইল নম্বরটি সঠিকভাবে দেওয়া আছে।
এই ক্ষেত্রে পেনশনের কেস সম্পর্কে মোট তিনবার SMS আসবে:
১. যখন সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর পেনশনের আবেদন অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল (AG) অফিসে পৌঁছাবে এবং তাদের সিস্টেমে নথিভুক্ত হবে।
২. যখন তাঁর কেস পরবর্তী কাজের জন্য নেওয়া হবে।
৩. সবশেষে, যখন তাঁর কেস ডাকযোগে পাঠানো হবে।
ওয়েবসাইট থেকে স্ট্যাটাস জানার উপায়
১. এই ওয়েবসাইটে যান: https://agwb.cag.gov.in/pension/final_payment_cases
2. ওয়েবসাইটে ঢোকার পর, তিনি তাঁর আবেদন নম্বর (Application number) অথবা রেজিস্টার করা মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে এবং স্ক্রিনে দেখানো ইমেজ ক্যাপচা (image captcha) সঠিকভাবে পূরণ করে পেনশনের বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারবেন।
পেনশনের আপডেট SMS-এর মাধ্যমে পেতে হলে, সংশ্লিষ্ট কর্মচারী কে নিশ্চিত করতে হবে যে সিঙ্গেল কম্প্রিহেনসিভ ফর্ম (Single Comprehensive Form)-এ তাঁর মোবাইল নম্বরটি সঠিকভাবে দেওয়া আছে।
এই ক্ষেত্রে পেনশনের কেস সম্পর্কে মোট তিনবার SMS আসবে:
১. যখন সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর পেনশনের আবেদন অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল (AG) অফিসে পৌঁছাবে এবং তাদের সিস্টেমে নথিভুক্ত হবে।
২. যখন তাঁর কেস পরবর্তী কাজের জন্য নেওয়া হবে।
৩. সবশেষে, যখন তাঁর কেস ডাকযোগে পাঠানো হবে।
ওয়েবসাইট থেকে স্ট্যাটাস জানার উপায়
১. এই ওয়েবসাইটে যান: https://agwb.cag.gov.in/pension/final_payment_cases
2. ওয়েবসাইটে ঢোকার পর, তিনি তাঁর আবেদন নম্বর (Application number) অথবা রেজিস্টার করা মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে এবং স্ক্রিনে দেখানো ইমেজ ক্যাপচা (image captcha) সঠিকভাবে পূরণ করে পেনশনের বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারবেন।
ক ৬. সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ পেনশনের পরিমাণ বর্তমানে কত?
• ন্যূনতম পেনশন: ₹৮,৫০০/- প্রতিমাসে
• সর্বোচ্চ পেনশন: ₹১,০০,৫০০/- প্রতিমাসে
• সর্বোচ্চ পেনশন: ₹১,০০,৫০০/- প্রতিমাসে
ক ৭. AG অফিসে পেনশন কেস ন্যূনতম কত দিন আগে পাঠাতে হয়?
সরকারি কর্মচারীর অবসরের ন্যূনতম ৬ মাস আগে সঠিক ভাবে পূরণ করা সব কাগজপত্রসহ AG (A&E), W.B. অফিসে পাঠাতে হয়।
ক ৮. পেনশনের জন্য সরকারি কর্মচারী বর্তমানে কীভাবে আবেদন করবেন?
অবসরের কমপক্ষে ১ বছর আগে, পেনশন এর আবেদনপত্র অর্থাৎ ফর্ম ৫সহ নিম্নলিখিত নথি PSA বা অফিসপ্রধানের কাছে জমা দিতে হবে:
• ফর্ম C (কমিউটেশন) – ২ কপি
• LTA মনোনয়নের ফর্ম
• প্রত্যয়িত স্বাক্ষরের নমুনা – ৪টি স্লিপে
• প্রত্যয়িত আঙুলের ছাপ- ৪ কপি
• প্রত্যয়িত পাসপোর্ট সাইজের ছবি – ৪ কপি (জীবনসঙ্গীসহ, না থাকলে নিজের)
• পেনশনার এর উচ্চতা ও শনাক্তকরণ চিহ্নের উল্লেখ (৩ টি পৃথক পাতায়)
• পরিবারের সদস্যদের নাম, জন্মতারিখ ও সম্পর্ক সহ যাবতীয় তথ্য
• নির্দিষ্ট ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পেনশন তুলতে চাইলে Annexure A ফর্ম (কলকাতা মিউনিসিপাল এলাকার মধ্যে)
• ফর্ম C (কমিউটেশন) – ২ কপি
• LTA মনোনয়নের ফর্ম
• প্রত্যয়িত স্বাক্ষরের নমুনা – ৪টি স্লিপে
• প্রত্যয়িত আঙুলের ছাপ- ৪ কপি
• প্রত্যয়িত পাসপোর্ট সাইজের ছবি – ৪ কপি (জীবনসঙ্গীসহ, না থাকলে নিজের)
• পেনশনার এর উচ্চতা ও শনাক্তকরণ চিহ্নের উল্লেখ (৩ টি পৃথক পাতায়)
• পরিবারের সদস্যদের নাম, জন্মতারিখ ও সম্পর্ক সহ যাবতীয় তথ্য
• নির্দিষ্ট ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পেনশন তুলতে চাইলে Annexure A ফর্ম (কলকাতা মিউনিসিপাল এলাকার মধ্যে)
ক ৯. পেনশন কিভাবে হিসাব করা হয়?
• (ক) যারা ২৫/০২/২০০৯ বা পরে অবসর নিয়েছেন এবং কমপক্ষে ২০ বছর চাকরি করেছেন:
→ তাদের পেনশন হবে শেষ মূল বেতনের ৫০%।
→ ১০–২০বছরের চাকরি হলে আনুপাতিক হারে কম পেনশন মিলবে।
• (খ) যারা ২৫/০২/২০০৯-এর আগে অবসর নিয়েছেন এবং কমপক্ষে ৩৩বছর চাকরি করেছেন:
→ তারাও শেষ মূল বেতনের ৫০% পেনশন পাবেন।
→ ১০–৩৩বছরের চাকরি হলে আনুপাতিক হারে কম পেনশন দেওয়া হবে।
→ তাদের পেনশন হবে শেষ মূল বেতনের ৫০%।
→ ১০–২০বছরের চাকরি হলে আনুপাতিক হারে কম পেনশন মিলবে।
• (খ) যারা ২৫/০২/২০০৯-এর আগে অবসর নিয়েছেন এবং কমপক্ষে ৩৩বছর চাকরি করেছেন:
→ তারাও শেষ মূল বেতনের ৫০% পেনশন পাবেন।
→ ১০–৩৩বছরের চাকরি হলে আনুপাতিক হারে কম পেনশন দেওয়া হবে।
ক ১০. পেনশন ও গ্র্যাচুইটির জন্য কোন বেতন বিবেচনায় নেওয়া হয়?
• অবসরের মাসে প্রাপ্ত মূল বেতন (Basic Pay) পেনশন হিসাবের জন্য ধরা হয়।
• মেডিকেল অফিসারদের ক্ষেত্রে Non-Practicing Allowance (NPA) ও ধরা হয়।
• গ্রাচুইটি হিসাব করার সময় অবসরকালীন/চাকুরী তে থাকা অবস্থায় পাওয়া মহার্ঘ ভাতাও মূল বেতনের সাথে যোগ করা হয় ।
• মেডিকেল অফিসারদের ক্ষেত্রে Non-Practicing Allowance (NPA) ও ধরা হয়।
• গ্রাচুইটি হিসাব করার সময় অবসরকালীন/চাকুরী তে থাকা অবস্থায় পাওয়া মহার্ঘ ভাতাও মূল বেতনের সাথে যোগ করা হয় ।
ক ১১. পেনশন পাওয়ার জন্য ন্যূনতম কত বছরের চাকরি প্রয়োজন?
যে সরকারি কর্মচারী কমপক্ষে ১০ বছর চাকরি করে অবসর নিয়েছেন, তিনি পেনশনের জন্য যোগ্য হবেন।
ক ১২. বর্তমানে পূর্ণ পেনশন পাওয়ার জন্য ন্যূনতম কত বছর চাকরি প্রয়োজন?
বর্তমানে কমপক্ষে ২০ বছর।